শিব লিঙ্গে দুধটুকু না ডালিলেও ক্ষতি হইতোনা। সৃষ্টির সেরা জীব হইয়াও
তাহারা বুঝিতে শিখেনি পাথর কখনোও দুগ্ধপান করেনা জানিনা এ লজ্জা কাহার।
কিন্তু সমাজের নির্মম বাস্তবতা এই যে সেই সামান্যদুগ্ধ কিনিবার টাকায় হয়তবা
একটি ক্ষুধার্ত পরিবার একদিন ভাল খাইতে পারিত। কিন্তু বিবেকবানরা কি তাহা
করিবে, করিবেই বা কেন? করিলে যে তাহার স্বর্গপ্রাপ্তি ঘটিবার কোন সম্ভবনা
থাকিবেনা। হতদরিদ্র মনুষ্য আর যাহা পারুক নিশ্চয় তাহারা কাউকে স্বর্গ লাভ
করাইতে পারিবেনা।
![]() |
| https://f9article.blogspot.com |
মনুষ্য কূলের আরাধ্য সেই স্বর্গের আসন বিন্যাস কেবল মাত্র দেবতার হস্তে সুরক্ষিত। তাইতো তাহারা কেবলমাত্র দেবদেবী সন্তুষ্ট করিতে ব্যস্ত। গৃহহীন ক্ষুধার্ত মানুষের দিকে তাকাইবার মত সময় তাহাদের থাকিবে কেমন করিয়া। সেই সুশীল,বিবেকবান, বুদ্ধিমান মনুষ্যগনকে যদি প্রশ্ন করা হয় "আপনারা কি কখনও স্বর্গ দর্শন করিয়াছেন?"
-উত্তরে তাহারা যাহা বলিবে তাহা নিতান্তই রূপকথার চাঁদের বুড়ির গল্প। যাহার বাস্তবতা তাহাদের স্ব-ধর্মেরই কেউ একজন বুঝিতে পারিয়াছেন বলিয়া হইতোবা লিখিয়াছেন,
"কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক কে বলে তা বহুদুর,
মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক মানুষই তো সুরাসুর।।"
মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক মানুষই তো সুরাসুর।।"
লেখকের লাইন দুইখানা আমরা শুধুমাত্র মুখস্ত করিয়া পরীক্ষার খাতায় লিখিয়া পাশ করিতে পারিলেই আমরা চির মুক্তির স্বাদ গ্রহন করিয়া ফেলি বলিয়াই আমরা সবসময় ধার্মিক থাকিব কিন্তু মানবতার চিটে ফোটাও আমাদের মধ্যে থাকিবেনা তাই আমরা মানবিক হইতে পারিবনা।
©Copyright - মানবতার সাতকাহন
https://f9article.blogspot.com

0 Comments