প্রতীবেশী দেশ ভারত যখন করোনার ভয়ে গোমুত্র নিয়ে গবেষণা করতে ব্যস্ত আমাদের বাংলাদেশই বা কম কিসে তারাও ভারতের মত উন্নয়নশীল দেশ তাদেরও করোনার ঔষধ নিয়ে গবেষণা করার পরিপুর্ন অধিকার আছে। কিন্তু বাঙ্গালীদের তো আর এমনি এমনি জাপানী বলা হয়না তাদের নির্গুম রাত জাগার কি আবশ্যকতা আছে তারা তাহাইজ্জুদ পড়ে এক লম্বা ঘুম দিবে আর সপ্নে আবিষ্কার করবে করোনার ঔষধ।

https://f9article.blogspot.com
https://f9article.blogspot.com
 সপ্ন দেখছেন একজন আর বলছেন আরেকজন সপ্ন বিশেষজ্ঞকে যিনি নাকি তার জীবদ্দশাই অনেক গুলো বছর সপ্ন দেখতে আর সপ্ন নিয়ে গবেষনা করতে করতে এক মহা সপ্নবাজ আরেকটু ভেঙ্গে বললে পুরোদস্তুর ধ্বজভঙ্গ রোগী নামে খ্যাত। গবেষনায় প্রাপ্ত ফল  1. q7+6=13। কিন্তু সমস্যা এতখানি হতনা যদিনা ভিন্ন মতের নিন্দুক না থাকতো। কেউ একজন ঠিকই খুজে বের করে ফেললেন আরে এটাতো বীজগনিতের এক অতি সাধারন সমীকরন।

https://f9article.blogspot.com
https://f9article.blogspot.com

কিন্তু সপ্নবাজ তো আর সাধারন আমজনতার মত নয় তিনি তো সমাজে সুমহান প্রতিষ্ঠিত বুজুর্গ ব্যক্তিত্ত। তিনি কি আর কম বুদ্ধিসম্পন্ন লোক তাইতো পরিস্থিতি বেসামাল দেখে তিনি অত্যন্ত চতুরতার সাথে সুকৌশলে এমন ভাবে তেনা মোড়ালেন তা সুশীল সমাজের আংশিক ভাবে জেগে উঠা বিবেককে পূণরায় গুম  লাগানোর জন্য যথেষ্ট। তার সপ্ন ব্যাখ্যা শুনে রীতিমত নিন্দুকেরা আবার একে একে তার পক্ষ অবলম্বন করতে লাগলো। আবার শুরু হলো তার জনপ্রিয়তার গনজোয়ার। তাই হয়ত কবিগুরু শত বছর পূর্বে লিখেছেন আর আমিও পুনরাবৃত্তি করতে বাধ্য হলাম বঙ্গমাতা কবিতার সুপরিচিত লাইন দুখানা,
                       
"সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী,

 রেখেছ বাঙালী করে, মানুষ করনি।"

লেখা আর সুদীর্ঘ না করে সপ্নবাজ বাঙ্গালীর সপ্ন কথন এর ১ নং পর্ব সমাপ্ত করলাম। সুশীল সমাজের জন্য বরাবরের জন্য কমেন্ট বক্স উন্মুক্ত থাকলো।

©Copyright - মানবতার সাতকাহন

https://f9article.blogspot.com