সারা বিশ্ব যখন এক অজানা নোভেল করোনা ভাইরাস এর প্রকোপ ঠেকাতে ব্যস্ত। সব চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা  যখন রাতের পর রাত নির্গুম সময় পার করছে প্রতিষেধক পাওয়ার জন্য সারাবিশ্বের সব চিকিৎসক যখন নিজের জীবন বাজী চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখনি চিকিৎসাবিজ্ঞানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এক দল ধর্মজ্ঞানী মানুষ দাবী করছে গোমুত্রই ঠেকাতে পারে করোনা। 

https://f9article.blogspot.com


এই আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের যুগেও মানুষ নামের কিছু আজব প্রানী বিশ্বাস করে গরুর মুত্র পান করলে করোনা ভাইরাস নামক মহামারি দূর হবে। 
তখন করোনা ভাইরাসকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা হয় ধরে নাও তোমার রুদ্র রূপ আর তুলে নাও পুরো মানব জাতি কারন এরা তাদের জাতিসত্তা হারিয়েছে এরা অন্ধকারের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত এরা কুসংস্কারাচ্ছন্ন তাই প্রকৃতিতে এদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই।
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে মানুষ দিনে দিনে সভ্য হওয়ার কথা কিন্তু সময় ঠিকই তার আপন গতিতে বাড়ছে কিন্তু মানুষ নামধারী এক শ্রেনীর কীট ক্রমাগত উন্নয়নশীল সভ্যতার থেকে তুলনায় শত বছর পিছিয়ে রয়েছে। এই পিছিয়ে থাকার কারন বা প্রয়োজন সমাজ সংস্কৃতি কোনটার সাথে সামঞ্জস্য না যদিও কিন্তু তারপরেও তারা একিরকম যাদের পরিবর্তন এ যথেষ্ট চুলকানি আছে। এর প্রভাব সমাজে এতখানি পরতোনা যদি এই চিন্তাধারার মানুষ আমার আপনার মত সাধারন মানুষ হত। কিন্তু সমস্যা এইখানে যারা এই ঘৃণিত চিন্তা করে তারা আবার সমাজের নীতি নির্ধারক যাদের এক একটি কথা বা মন্তব্য সমাজে বিপুল পরিমান প্রভাব বিস্তার করে। এক কথাই তারা বড় মাপের রাজনীতিবিধ। যারা গরু নামক এক অতিসাধারন গৃহপালিত পশুকে মা বলে পূজা করে করে সমাজে তাদের এই অবস্থান নিশ্চিত করেছে। তাইতো তারা দিন শেষে সব ভুলে যায় কিন্তু গোমুত্রের স্বাদ ভুলতে পারেনা।

করোনা ভাইরাস এই অল্প সময়ে তাদের কি ক্ষতি করবে তা জানিনা কিন্তু এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায়,
 
 "তারাতো শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ধর্ম নামক এক আজব ভাইরাস এ আক্রান্ত।" 
তাই করোনা ভাইরাস তাদের জন্য কোন দুচিন্তার কারন হতে পারেনা, হলেই বা কি সর্ব রোগের মহাঔষধ মহামূল্যবান গোমুত্র আছেনা।

©Copyright - মানবতার সাতকাহন
https://f9article.blogspot.com