ধর্ম পালনকারীরা করতে তাদের সংকীর্ন চিন্তায় লুকিয়ে থাকার বা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি একটি নির্দিষ্ট গন্ডিতে আবদ্ধ করার প্রয়োজনে ভিন্নমতের মানুষদের সবসময় তিরস্কার করে আসছে। যদিও তাদের এই আচরন বিশাল একটি জনগোষ্ঠী সবসময় সমর্থন করে আসছে।
বিশ্বের তিনটি প্রধান অনুশীলন করা ধর্মগুলি একে অপরের দোষ খুঁজে পাওয়ার জন্য দিনের পর দিন সমাজ রাষ্ট্র ব্যবস্থার বারোটা বাজাতে না পারলেও ক্ষতি যে করছেনা তা বলা যাবেনা। উন্নয়নশীল সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে ঘৃনা নামক সত্তার বীজ বপন করার জন্য ধর্মই যথেষ্ট। কারণ তারা একে অপরকে অনুশীলন করেই সময় পার করে।
প্রতিদিনের জীবনের ক্রিয়াকলাপের মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সহাবস্থানের পরেও তারা একে অপরকে অভিশপ্ত প্রানী বলে মনে করে। যা বর্তমান আধুনিক উন্নয়নশীল সমাজের জন্য চরম লজ্জাজনক বলে মনে করি। বিশেষত আমাদের আধুনিক সময়ে, এখনও আমাদের মতাদর্শের পার্থক্যের উপর ঝাঁকুনি দেয়ার অনেক উপায় খুঁজে পাই। এটিকে আরও লজ্জাজনক করে তোলে যে আমরা কীভাবে ধর্মের সস্তা ধারণার অপব্যবহার করে একে ব্যবসার মূল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করি।
আমরা ধর্মের এই ভ্রান্ত ধারনা গ্রহণ করি, প্রয়োগ করি এবং এত দৃঢ় ভাবে আঁকড়ে থাকি যে আমরা যে কোন সামাজিক বিপর্যয়েও ধর্ম প্রতিষ্ঠা করার জন্য মরিয়া হয়ে থাকি। তারা ভাবে যে মানব জাতির এই বিপর্যয়ের পিছনে নির্দিষ্ট কোন জাতীগোষ্ঠী দায়ী, নির্দিষ্ট একটা জাতীগোষ্ঠী এর উপর এর কোন প্রভাব পরবেনা কারন তাদের উপর গায়েবী রহমত আছে, তারা সৃষ্টিকর্তার দেখানো পথ সহিহ কায়দায় অনুসরন করে। যদি প্রভাব পরেও তাদের আছে নানা রকম দোয়া এবং গোমুত্রের বিসাল ভান্ডার। যারা মনে প্রানে বিশ্বাস করে একটি মাত্র দোয়া পাঠ করে বিশ্ব জয় করা সম্ভব। তাদেরকে আপনি জ্ঞানবিজ্ঞান বুঝাবেন তারা বুঝবে কিন্তু পাশাপাশি খুঁজবে তাদের হাজার বছরের পুরানো কিতাবে ওই নির্দিষ্ট বিষয় বস্তু নিয়ে কোন প্রবন্ধ আছে কিনা। যদি না থাকে তাহলে কবিরাজী বিদ্যা,
"তিনি বললেন, হে আদম, ফেরেশতাদেরকে বলে দাও এসবের নাম। তারপর যখন তিনি বলে
দিলেন সে সবের নাম, তখন তিনি বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি আসমান
ও যমীনের যাবতীয় গোপন বিষয় সম্পর্কে খুব ভাল করেই অবগত রয়েছি? এবং সেসব
বিষয়ও জানি যা তোমরা প্রকাশ কর, আর যা তোমরা গোপন কর!--(সুরা-আল-বাকারা, আয়াত-৩৩)
আর যদি কাকতালীয় ভাবে মিলে যায় তাহলে তো আর কথাই নেই, তা তাদের সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতি প্রমান করার উদাহরন হয়ে দাঁড়ায়।

2 Comments
বর্বর অত্তাচারি হিন্স্র মানব
ReplyDeleteলাখ লাখ মানুষের রক্তে রঞ্জিত যে তলোয়ার তার নিত্ত দিনের সংজ্ঞি
যার ভিতর কথিত গল্প ছাড়া মানবতার ছিটে ফোটা নেয়
বর্তমান এই সভ্য এবং অসমপ্রদায়িক সমাজে সেই নর পিছাশকে কখনো কোন জাত-গুষ্ঠির আদর্শ ভাবা নির্চিত রুপে পশু সুলভ আচরনের শামিল
ধন্যবাদ।
ReplyDelete